শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৫৯
শিরোনাম :
দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ!

জিম্মি নয়, রোগীদের আস্থার চিকিৎসক ডা. অমিতাভ সরকার!

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবায় আস্থার একটি পরিচিত নাম ডা. অমিতাভ সরকার। দীর্ঘদিন ধরে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন তিনি। বিশেষ করে স্ট্রোক, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীরা দূর-দূরান্ত থেকে বরিশালে এসে তাঁর পরামর্শ ও চিকিৎসা নিচ্ছেন। রোগীদের এই নির্ভরতা ও আস্থাকেই একজন চিকিৎসকের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

ভোলা, চরফ্যাশন, কুয়াকাটা, রাঙ্গাবালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে রোগীরা বরিশালে এসে তাঁর চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে জটিল স্নায়ুরোগ ও স্ট্রোকজনিত সমস্যায় দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় অভিজ্ঞ নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন স্বজনরা। আর সে কারণেই ডা. অমিতাভ সরকারের কাছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডা. অমিতাভ সরকারকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ, মন্তব্য, গুজব ও সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট, মন্তব্য কিংবা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তাঁদের বক্তব্য, একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতেই পারে। কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেটি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু অভিযোগ ওঠা এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া-দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। তাই কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার করা যেমন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে, তেমনি একজন চিকিৎসকের সামাজিক ও পেশাগত সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ডা. অমিতাভ সরকারের পক্ষের ব্যক্তিরা আরও বলেন, একজন চিকিৎসকের সুনাম শুধু তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় নয়। তাঁর ওপর আস্থাশীল অসংখ্য রোগী ও তাঁদের পরিবারের প্রত্যাশাও এর সঙ্গে জড়িত।

বিশেষ করে স্ট্রোক কিংবা জটিল স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দক্ষিণাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য বরিশালে আসেন। এমন পরিস্থিতিতে কোনো চিকিৎসককে ঘিরে যাচাই-বাছাই ছাড়া নেতিবাচক প্রচারণা ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যেও অযথা আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।